শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দর থানা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন ॥ মুহসীন সভাপতি, মাইনুদ্দিন সম্পাদক নির্বাচিত- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দর থানা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন ॥ মুহসীন সভাপতি, মাইনুদ্দিন সম্পাদক নির্বাচিত- দেশজুরে সংবাদ বন্দর থানা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত-দেশজুড়ে সংবাদ রূপগঞ্জে ৫০০ রোগীর মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস সেবা-দেশজুড়ে সংবাদ মদনগঞ্জ দারুস সালাম মডেল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দরে স্বাস্থ্যকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল পুরোনো ক্ষতের চিহ্ন – দেশজুড়ে সংবাদ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বন্দরে ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন- দেশজুড়ে সংবাদ বসতবাড়ি জমি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে আইনগত ব্যবস্থা : ডিসি নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিকের কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের গ্রেফতারের দাবি- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দরে দুর্বার মেধা বৃত্তির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন- দেশজুড়ে সংবাদ

এনবিআরের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ৬ নেতার দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

নিউজ ডেস্ক / ৪৩৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫, ০৮:২৭ অপরাহ্ন

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কার ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও অতিরিক্ত কমিশনার হাছান তারেক রিকাবদারসহ ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রবিবার (২৯ জুন) বিকেলে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে, এনবিআর সদস্য (আয়কর নীতি) এ কে এম বদিউল আলম, অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-৮ মির্জা আশিক রানা; বিসিএস কর একাডেমির যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান; যুগ্ম কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা; ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কমিশনার হাছান তারেক রিকাবদার এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, ‘এনবিআরের কতিপয় অসাধু সদস্য ও কর্মকর্তা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে কর দাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য নির্ধারিত পরিমাণ কর আদায় না করে, তাদের (করদাতা) করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতি বছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুষ না পেয়ে কর ফাঁকির মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মালিকদের হয়রানি করেন বলে জানা যায়।

দুদক কারও হাতিয়ার হয়ে কাজ করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যাচাই-বাছাই করেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক করদাতা আগাম কর দেন। আবার কেউ কেউ বেশি কর দেন। নিয়ম হচ্ছে এই কর হিসাব-নিকাশ করার পর বেশি দেওয়া হলে তা ওই করদাতাকে ফেরত দিতে হয়। কিন্তু তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, করের বাড়তি টাকা ফেরত পেতে আরো অন্তত অর্ধেক টাকা ঘুষ বা উপহারে খরচ হয়।অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তারা করের টাকা ফেরত দিতে নিজেরাও কামিয়ে নিচ্ছেন মোটা টাকা। একইভাবে বিগত ২০-২৫ বছর ধরে বিভিন্ন স্টেশনে চাকরিকালীন বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক, ভ্যাট ও কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়ে ও নিজে লাভবান হয়ে রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..