মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দর থানা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত-দেশজুড়ে সংবাদ রূপগঞ্জে ৫০০ রোগীর মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস সেবা-দেশজুড়ে সংবাদ মদনগঞ্জ দারুস সালাম মডেল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দরে স্বাস্থ্যকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হাতে মিলল পুরোনো ক্ষতের চিহ্ন – দেশজুড়ে সংবাদ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বন্দরে ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন- দেশজুড়ে সংবাদ বসতবাড়ি জমি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে আইনগত ব্যবস্থা : ডিসি নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিকের কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের গ্রেফতারের দাবি- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দরে দুর্বার মেধা বৃত্তির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন- দেশজুড়ে সংবাদ বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের উদ্যোগে মরহুম আবুল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেনস ফোরামের সভাপতি আজাদ-সাধারণ সম্পাদক মুকুল

সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ডিলেটের অভিযোগ এসপির বিরুদ্ধে

নিউজ ডেস্ক / ২১৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৬ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ও ছবি ডিলিট করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সুপারের বডিগার্ডের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তির সাংবাদিক পরিচয় জানা না থাকায় এমনটা হয়েছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িগ্রামের চিলমারী এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর শহরের মোড় এলাকায় ঈদে চিলমারী-হরিপুর তিস্তা সেতুতে ঘুরতে যাওয়া মা-মেয়েকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে মাইকিং করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম থেকে সেনাবাহিনীর একটি টিম গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই রাতেই, সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান।

এ সময় চিলমারী সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম সাদ্দাম সংবাদ সংগ্রহের সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করলে পুলিশ সুপার তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ সুপারের সঙ্গে থাকা এক বডিগার্ড ওই সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিয়ে ধারণকৃত ভিডিও ডিলিট করে দেন। অভিযোগে সাংবাদিক জানান, এ সময় পুলিশ সুপার তাকে উদ্দেশ করে বলেন, মিডিয়া ছুটাই দেব।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপারের আগমনের সংবাদ পেয়ে সেখানে গিয়ে যখন ভিডিও ও ছবি তুলছিলাম; তখন পুলিশ সুপার আমার ওপর চড়াও হন। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আমার হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার সঙ্গে থাকা একজন পুলিশ সদস্য ফোনটি নিয়ে ভিডিও ও ছবি ডিলিট করে দেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..