ঢাকায় এআইএনইউ হাসপাতালের উদ্যোগে মেডিক্যাল ট্যুরিজম সংশ্লিষ্টদের সম্মানে নৈশভোজ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের হেলথকেয়ার ফ্যাসিলিটেটর, মেডিক্যাল ট্যুরিজম সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে ঢাকায় নৈশভোজের আয়োজন করেছে ভারতের হায়দ্রাবাদভিত্তিক এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব নেফ্রোলজি অ্যান্ড ইউরোলজি (এআইএনইউ) হাসপাতাল।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর ওমনি হোটেল ইন্টারন্যাশনালে এ নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, রোগীদের চিকিৎসা-সহায়তা এবং মেডিক্যাল ট্যুরিজম খাতে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে এআইএনইউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন গ্রুপ হেড, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড ফরেন রিলেশনস আলী হোসাইন। তিনি বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান, স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্যে এআইএনইউ হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ইউরোলজি, ট্রান্সপ্লান্ট অ্যান্ড রোবোটিক সার্জন ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ গাউস কিডনি চিকিৎসা, কিডনি প্রতিস্থাপন ও রোবোটিক সার্জারির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তিনি রোবোটিক সার্জারির আধুনিক পদ্ধতি, চিকিৎসাক্ষেত্রে এর ব্যবহার এবং রোগীদের সম্ভাব্য সুবিধা সম্পর্কে উপস্থিত অতিথিদের অবহিত করেন। একই সঙ্গে কিডনি ও ইউরোলজি চিকিৎসায় এআইএনইউ হাসপাতালের অভিজ্ঞতা এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও আলোচনা করেন।
হায়দ্রাবাদে অবস্থিত এআইএনইউ হাসপাতাল কিডনি, নেফ্রোলজি ও ইউরোলজি চিকিৎসায় বিশেষায়িত একটি প্রতিষ্ঠান। ভারত ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
নৈশভোজে বাংলাদেশের মেডিক্যাল ট্যুরিজম খাতের পথিকৃৎ কাউসারুল হক খান, মো. রহিম, বোটার পরিচালক শাহাদাৎ রশীদ আপন, রবিন লাল এবং টেডমেড গ্লোবাল কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ফয়সাল আলম চৌধুরী রাজুসহ স্বাস্থ্যসেবা ও মেডিক্যাল ট্যুরিজম খাতের আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগীদের চিকিৎসা-সহায়তা, হাসপাতাল ও হেলথকেয়ার ফ্যাসিলিটেটরদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশি রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও ভারতের স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রতিষ্ঠান এবং মেডিক্যাল ট্যুরিজম সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দুই দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রও উন্মোচিত হতে পারে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...