শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বসতবাড়ি জমি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে আইনগত ব্যবস্থা : ডিসি নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিকের কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের গ্রেফতারের দাবি- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দরে দুর্বার মেধা বৃত্তির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন- দেশজুড়ে সংবাদ বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের উদ্যোগে মরহুম আবুল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত- দেশজুড়ে সংবাদ বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেনস ফোরামের সভাপতি আজাদ-সাধারণ সম্পাদক মুকুল দেশে ও প্রবাসে সবাইকে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামে আহবায়ক কমিটি দেশে ও বিদেশে অবস্থান’রত সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- মাকসুদ হোসেন দেশে ও বিদেশে অবস্থান’রত সকল মুসলিম ভাই বোনদের প্রতি পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সমাজ সেবিকা -নার্গিস মাকসুদ । বন্দর মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে হাফেজ ও বিভিন্ন পেশাজীবিদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বন্দর সাংবাদিক কল্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার মাহফিল ও ঈদ সামগ্রী বিতরন।

এখনই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অসম্ভব : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক / ১৯৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ০৪ মে ২০২৫, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ, দেশটির অভ্যন্তরে বিভক্তি এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও নাগরিকত্বের নিশ্চয়তার অব্যাহত অনুপস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এখনই সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

রোববার (৪ মে) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) ‘বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন: আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তৌহিদ হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই মিয়ানমারে ফিরে যেতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পরই তারা ফিরে যাবে। দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলমান। এই অবস্থায় যেই নির্যাতন থেকে তারা বাঁচতে চেয়েছিল, আমরা কি তাদের আবার সেই জায়গায় ফেরত পাঠাব?তিনি বলেন, এই সংকটের আমরা এখনও একটি কার্যকর সমাধান খুঁজে পাইনি। রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিষয়ে দুটি দিক রয়েছে। একটি হলো অধিকার, অন্যটি নিরাপত্তা। এই বিষয়গুলো নিশ্চিত না হলে রোহিঙ্গারা ফিরে যাবে না। তবে আমরা কোনো অযৌক্তিক প্রত্যাশায় নেই।

উপদেষ্টা বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান দেখছি না। মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এ বিষয়ে বাস্তব কোনো ফল আসবে না। দ্বিপাক্ষিক কূটনীতির ওপর বাংলাদেশের প্রাথমিক নির্ভরতা ছিল। আমিসহ অনেকেই সতর্ক করেছিলাম যে, এই ধরণের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। বছরের পর বছর ধরে চলা দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়াটি নিরর্থক, কেননা একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসন করা যায়নি।তিনি বলেন, মিয়ানমারে কখনও গণতন্ত্র ছিল না। অং সান সু চির অধীনেও এটি একটি আধা-সামরিক শাসনব্যবস্থা হিসেবে কাজ করেছিল। আমরা এখন যা দেখছি, তা হলো পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধ। মিয়ানমারের এখন মূল অংশীদার সামরিক জান্তা, আরাকান আর্মি এবং জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি)। যেকোনো স্থায়ী সমাধানে এই তিন পক্ষকেই যুক্ত হতে হবে। বিশেষ করে আরাকান আর্মিকে, যারা এখন রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ করছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মিয়ানমারে অবশ্যই বাস্তব পরিবর্তন আনতে হবে। সেই পরিবর্তনের নিশ্চয়তা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হতে হবে। যদিও এটি কঠিন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। ঐক্যবদ্ধ না হলে এটা সম্ভব হবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অন্যান্য বৈশ্বিক সংঘাতের মধ্যে রোহিঙ্গা সংকটের ওপর থেকে মনোযোগ যেন সরে না যায়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার বিষয়ে একটি রোডম্যাপ থাকা দরকার বলেও তিনি মনে করেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..